মুভিং এভারেজ

মুভিং এভারেজ কি?

মুভিং এভারেজ হচ্ছে ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য  সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ইন্ডিকেটর । একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মার্কেটের এভারেজ প্রাইজ ভ্যালু কেমন ছিল তা বোঝার জন্য মুভিং এভারেজ ব্যবহার করা হয়। মুভিং এভারেজ সম্পর্কে ভাল ধারনা আছে এমন যেকোনো ট্রেডার মুভিং এভারেজ এর সাহায্যে খুব সহজেই মার্কেটের ভবিষ্যৎ অবস্থান সম্পর্কে ধারনা করতে পারে। মুভিং এভারেজ ইনডিকেটর টি মেটাট্রেডার ইন্ডিকেটর লিস্টে ডিফল্ট হিসেবে দেয়া আছে।

মুভিং এভারেজ কীভাবে কাজ করে?

মুভিং এভারেজকে বলা হয় ফরেক্স টেকনিক্যাল এনালাইসিসের প্রাণ। ফরেক্স মার্কেটে মুভিং এভারেজ ইন্ডিকেটর দিয়ে হাই, লো, মিডেল, ক্লোজ, ওপেন, টিপিকাল ইত্যাদির গড় বাহির করা হয়। কোনটি আপনার সবচেয়ে ভাল লাগে সেটি আপনি চাইলে নিজে নিজে যাচাই করে নিতে পারেন এবং আপনার মত করে মার্কেট প্রাইস ফোরকাস্ট করতে পারবেন। মুভিং এভারেজ সাধারনভাবে সম্ভব্য সাপোর্ট এবং রেসিসটেনস এর এরিয়া এবং গতি পরিমাপক একটি টুল হিসেবে ব্যবহারিত হয় ।

মুভিং এভারেজ ইনডিকেটর এর মধ্যে পিরিয়ড, শিফট, স্টাইল, লেভেলস এবং ভিজুলাইজেশন আছে। পিরিয়ড মানে হচ্ছে আপনি কতগুলো ক্যান্ডেলস্টিক এর গড় নির্ণয় করবেন। শিফট দিয়ে বর্তমান চার্ট টি আগে নাকি পরে দেখবেন টা বুঝানো হয়। স্টাইল দ্বারা আপনার পছন্দমত মুভিং এভারেজ তৈরি করবেন। লেভেলস দিয়ে বর্তমান মুভিং এভারেজ এর সমান্তরাল লাইন তৈরি করা। ভিজুলাইজেশন দিয়ে আপনি কোন কোন চার্টতে ব্যবহার করবেন তা সিলেক্ট করবেন।

মুভিং এভারেজ এর ধরনঃ

ফরেক্স মার্কেটে মোটামুটি ৪ ধরণের মুভিং এভারেজ ট্রেডাররা বেশি ব্যাবহার করে থাকেঃ
১. সিম্পল মুভিং এভারেজ(SMA)
২. এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ (EMA)
৩. স্মুথড মুভিং এভারেজ (SMMA)
৪. লিনিয়ার ওয়েটেড মুভিং এভারেজ (LWMA)

 

১. সিম্পল মুভিং এভারেজ(SMA) কি?

বাই বা সেল করার সংকেত লাভের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ইন্ডিকেটরটি দিয়ে পিরিয়ড এবং প্রাইস এর ভিত্তিতে একটি গাণিতিক হিসাব এর মাধ্যমে আপনি ট্রেন্ড ডিরেকশন বুঝতে পারবেন। আপনি কত সময়ের মুভিং এভারেজ পছন্দ করেন তার উপরে নিরভর করবে আপনি দীর্ঘ মেয়াদী নাকি স্বল্প মেয়াদী ট্রেড করতে আগ্রহী হবেন। ট্রেডাররা ৩টি সময়ের মুভিং এভারেজ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন। সেগুলো হলঃ
• ১০ দিনের মুভিং এভারেজ (সর্ট টার্ম )
• ৫০ দিনের মুভিং এভারেজ (ইন্টারমিডিয়েড টার্ম)
• ২০০ দিনের মুভিং এভারেজ (লং টার্ম)mabdfx

কিভাবে সিম্পল মুভিং এভারেজ বের করব?

গাণিতিক সুত্রঃ
SMA = নির্দিষ্ট পিরিয়ডে ক্লোজিং প্রাইসের যোগফল / পিরিয়ড সংখ্যা

উদহারনঃ
ধরুন শেষ ৫ দিনের মার্কেট ক্লোজিং প্রাইস দেওয়া আছে। এগুলো হলঃ
১ম দিন= ২.৩১৬৬,
২য় দিন= ২.৩৩৪১,
৩য় দিন= ২.৩৩৯৮,
৪র্থ দিন= ২.৩৩৬৪,
এখন এদের যোগফলকে ৪ দিয়ে ভাগ করুনঃ
১.২১৬৬ + ১.২৩৪১ + ১.২৩৯৮+ ১.২৩৬৪,+ ১.২৩০৫ / ৫ = ১.২৩১৪

সিম্পল মুভিং এভারেজ এর ট্রেড সিগন্যালঃ
আপনি বাই করবেন যদি দেখন মুভিং এভারেজ প্রাইস বর্তমান মার্কেট প্রাইস এর উপরে আছে। এবং প্রাইস যদি বর্তমান মার্কেট প্রাইস এর নিচে হয় তাহলে সেল করবেন।

২. এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ (EMA) কি?

এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ হচ্ছে সিম্পল মুভিং এভারেজ এর মতই কিন্তু দুটোর মধ্যে ছোট একটু পার্থক্য আছে। এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজও মার্কেট ডিরেকশন দেয় তবে পার্থক্য এটাই যে এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজে তুলনামুলক পূর্ব পিরিয়ড প্রাইস থেকে বর্তমান পিরিয়ড প্রাইস কে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়।

emabdfx

সিম্পল মুভিং এভারেজ এ মার্কেটের সব ডাটার বা অথবা আপনি যতগুলো সিলেক্ট করে দিবেন তার সবগুলোর গড় দেখাবে। কিন্তু মাঝে মাঝে মার্কেটের ব্যপক পরিবরতন হলেও সিম্পল মুভিং এভারেজ এর তেমন কোন পরিবরতন হয় না। আর এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজেও সব ডাটার গড় বের করা হয় কিন্তু এটি বর্তমান মার্কেটের প্রাইস আপ ডাউনকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

উদাহরনঃ

মনে করুন, আপনি ৫ দিনের সিম্পল মুভিং এভারেজ বের করবেন,
প্রথম দিন ক্লোজিং প্রাইস – ২.৩১৬৬,
দ্বিতীয় দিন ক্লোজিং প্রাইস – ২.৩৩৪১,
তৃতীয় দিন ক্লোজিং প্রাইস – ২.৩৩৯৮,
চতুর্থ দিন ক্লোজিং প্রাইস – ২.৩৩৬৪,
পঞ্চম দিন ক্লোজিং প্রাইস – ২.৩৩০৫

একটু খেয়াল করলেই দেখবেন এখানে ১ম দিনের ক্লোজিং প্রাইস এর সাথে ২য় দিনের ক্লোজিং প্রাইস এর একটা বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে যা পরবর্তী ৩দিনের এভারেজ ক্লোজিং প্রাইস থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এমন হঠাৎ করে প্রাইসের পরিবর্তনটুকু স্বাভাবিক নয়। সম্ভবত ২য় দিন ভালো কোন ইকোনমিক নিউজ এসেছে যার কারনে প্রাইস অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সিম্পল মুভিং এভারেজে নির্দিষ্ট কোন দিন এর এমন দামের বৃদ্ধি বা হ্রাস পাওয়াকে তেমন কোন গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজের সাথে সিম্পল মুভিং এভারেজ এর পার্থক্যটা এখানেই। এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজে প্রথম দুদিনের প্রাইস থেকে শেষ ৩দিনের প্রাইসকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে মুভিং এভারেজ বের করা হয়।

৩. লিনিয়ার ওয়েটেড মুভিং এভারেজ (LWMA)

লিনিয়ার ওয়েটেড মুভিং এভারেজ ব্যবহারের একটা বড় সুবিধা হচ্ছে এটি সিম্পল মুভিং এভারেজ তুলনায় অনেক দ্রুত মার্কেটের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট প্রকাশ করে থাকে। কারন আমরা জানি যে অতীতের মার্কেটের ডাটা থেকে আমরা ভবিষ্যৎ মার্কেটের ধারনা করে থাকি। লিনিয়ার ওয়েটেড মুভিং এভারেজ ইনডিকেটরটি অতীত থেকে বর্তমান মার্কেটের প্রাধান্য বেশি দিয়ে থাকে। এটি কোন কোন ক্ষেত্রে এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ থেকেও অনেক দ্রুত ওঠা নামা করে। নিচের ছবিতে আমরা তিনটি মুভিং এভারেজ একই একটি ছবিতে দেখবো।

lnmabdfx

ছবিতে দেখুন হলুদ রংটি লিনিয়ার ওয়েটেড মুভিং এভারেজ, সবুজ রংটি সিম্পল মুভিং এভারেজ এবং নিল রংটি টি হচ্ছে এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ. এখানে খেয়াল করলে দেখবেন লিনিয়ার ওয়েটেড মুভিং এভারেজ বর্তমান মার্কেটকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে অনেক দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় মার্কেটে ফেইক আউট হয় বলে এই মুভিং এভারেজ টি এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ ও সিম্পল মুভিং এভারেজ এর মত খুব বেশি ব্যবহার হয় না।

৪. স্মুথড মুভিং এভারেজ (SMMA)

এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ ও সিম্পল মুভিং এভারেজ এর সমন্বয়ে প্রস্তুত এক বিশেষ ধরনের এভারেজ হচ্ছে এই স্মুথড মুভিং এভারেজ । আপনি লং পিরিয়ডে ট্রেড করার সময় দেখবেন স্মুথড মুভিং এভারেজ কিছুটা এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ এর মতই কাজ করে।

smabdfx

উপরের ছবিতে লক্ষ করুন- নীল রঙের লাইন দ্বারা সিম্পল মুভিং এভারেজ এবং লাল লাইনটি দ্বারা স্মুথড মুভিং এভারেজ বোঝানো হয়েছে। আশাকরি ছবিটি দেখেই আপনি স্মুথড মুভিং এভারেজ বুঝে গেছেন, আর কোন ব্যক্ষা দেয়ার প্রয়োজন নেই।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে মুভিং এভারেজ সম্পর্কে আপনাদের ধারনা পরিস্কার হয়েছে বলে আশা রাখি। তারপরও কারো কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে প্রশ্ন করতে পারেন।

Bollinger Band

Commodity Channel Index (CCI)

CCI ইনডিকেটর ফরেক্স ট্রেডারদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় একটি ইনডিকেটর। বিভিন্ন ধরনের CCI ইনডিকেটর আছে. CCI নিয়ে অনেক ট্রেডিং সিস্টেম আছে এবং সেগুলো অনেক সহজ।

CCI লেভেলের ভিত্তিতে আমরা এই ইনডিকেটর কে তিন ভাগে ভাগ করে ট্রেড করতে পারি।

  1.  CCI জিরো উপরে Bullish এবং জিরোর নিচে Bearish.
  2.  CCI লেভেল +১০০ উপরে থাকলে ওভারবাই এলাকা এবং লেভেল -১০০ নিচে থাকলে ওভারসেল এলাকা।
  3. CCI লেভেল +২০০ উপরে থাকলে অতিরিক্ত ওভারবাই এলাকা এবং লেভেল -১০০ নিচে থাকলে অতিরিক্ত ওভারসেল এলাকা।

ccizones

CCI দিয়ে কিভাবে ট্রেড করবেনঃ

CCI  দিয়ে বিভিন্নভাবে ট্রেড করা যায়।  CCI যখন +/-১০০ লেভেল পৌছবে তখন বাই বা সেল এন্ট্রি নিতে হবে। যখন CCI+১০০ উপরে উঠতে থাকবে তখন শক্তিশালী uptrend নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর ট্রেডাররা বাই পসিশন খুলতে পারেন। CCI লেভেল যতক্ষণ ১০০ লেভেলের উপর থাকবে ততক্ষণ ট্রেড ওপেন রাখতে হবে। CCI লেভেল যখন ১০০ লেভেলের নিচে নামতে থাকবে তখন ট্রেড বন্ধ করে দিতে হবে। আবার CCI লেভেল যদি +২০০ লেভেল ক্রস করে  তখন বুঝতে হবে মার্কেট যে কোন সময় রিভার্স করতে পারে ।সেক্ষেত্রে দ্রুত ট্রেড বন্ধ করা যেতে পারে বা স্টপ লস ব্যবহার করা যেতে পারে।

একইভাবে CCI লেভেল যখন -১০০ লেভেলের নিচে থাকবে তখন সেল দিতে হবে । CCI লেভেল যখন -১০০ লেভেল ক্রস করে উপরে উঠতে থাকবে তখন ট্রেড বন্ধ করে দিতে হবে।

এবং  CCI লেভেল যদি -২০০ লেভেল ক্রস করে  তখন বুঝতে হবে মার্কেট যে কোন সময় রিভার্স করতে পারে . সেক্ষেত্রে দ্রুত ট্রেড বন্ধ করা যেতে পারে বা স্টপ লস ব্যবহার করা যেতে পারে।

ccizero

CCI and its Zero line

CCI  দিয়ে ট্রেড করার আরেকটি পদ্ধতি হল জিরো লাইন । এটা খুবই Risky ট্রেডিং পদ্ধতি।

যখন CCI লেভেল ০ ক্রস করবে তখন ধরে নিতে হবে এখন বাই দেয়া যাবে কারন মার্কেট আপট্রেনড হউয়ার সম্ভাবনা আছে।

যখন CCI  লেভেল ০ ক্রস করে নিচে নামবে তখন সেল নিতে হবে কারন তখন মার্কেট downtrend হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।

সংক্ষেপে

জিরো উপরে- বাই অঞ্চল

জিরো নিচে – সেল অঞ্চল

সকল প্রকার  Trade open করার পর নিকটতম support/Resistance  দেখে stop loss দিতে হবে..

Heiken ashi

হেইকেন আসি কেনডেল সাধারণ জাপানি কেনডেল থেকে ভিন্ন । জাপানি কেনডেলের মত হেইকেন আসি বারের শুরু ,শেষ,হাই ,লো দেখায় না।এখানে প্রতিটি কেনডেল হিসাব করা হয় মার্কেটের Trend এর  প্রভাবের উপর । উদাহরনঃ যদি সেলের  (Bearish)    প্রভাব বেশি থাকে তাহলে কেনডেল লাল দেখাবে এবং যদি বাই  (Bulish  ) প্রভাব বেশি থাকে তাহলে কেনডেল সবুজ দেখাবে। যারা ট্রেন্ড পুরোটা ধরতে চান তাদের জন্য হেইকেন আসি একটি কার্যকরী ইন্ডিকেটর..

heik

হেইকেন আসি ব্যবহারের নিয়মঃ

মার্কেট যদি downtrend এ থাকে তাহলে ক্যান্ডলগুলো নিন্নরুপ হবে. তখন Sell করা যেতে পারে.

heikin2মার্কেট যদি uptrend এ থাকে তাহলে Candle গুলো দেখতে নিম্নরুপ হবে. তখন Buy করা যেতে পারে…

heikin5Market এ যদি কোন trend না থাকে বা দুর্বল trend থাকে তাহলে  Candle গুলো দেখতে নিম্নরুপ হবে.. এসময় Candle এর রং পরিবর্তনের সাথে সাথে ট্রেন্ড ও পরিবর্তন হয়ে যাবে.  এক্ষেত্রে পরবর্তী Trend এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে..

heikin4

 

ইনডিকেটরের শ্রেনীবিভাগ

ইন্ডিকেটর কি?

ইন্ডিকেটর অর্থ হল সোজা বাংলায় নির্দেশক। ফরেক্সের ভাষায় যা মার্কেটের অবস্থা নির্দেশ করে। এটা আপনাকে নির্দেশ করে মার্কেটের বর্তমান অবস্থা। একটি ইন্ডিকেটর তার হিসাব অনুসারে আপনাকে কি কি তথ্য দিতে পারে তা নিচে দেয়া হলঃ

  • মার্কেটের বর্তমান ট্রেন্ড
  • ট্রেন্ডটি কতটুকু শক্তিশালী বা দুর্বল
  • ট্রেন্ডটি শেষের দিকে কিনা
  • মার্কেটের ভোলাটিলিটি
  • মার্কেটের ট্রেডের ভলিউম (কেমন ট্রেডার মার্কেটে অংশগ্রহণ করছে)
  • মার্কেটে বিভিন্ন ট্রেন্ড প্যাটার্নের পুনরাবৃত্তি

সুতরাং দেখুন, ইন্ডিকেটর কি কোথাও বলেছে যে সে সরাসরি বাই-সেল সিগন্যাল দেয়? এটা শুধু আপনাকে মার্কেটের অবস্থা জানায়। আর আমরা এটা দিয়ে বিভিন্ন স্ট্রাটেজি তৈরি করে ট্রেড করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করি। সুতরাং, এটা সরাসরি কিন্তু সিগন্যাল দিচ্ছে না, আমরাই ধরে নিচ্ছি এটা বাই করতে বলছে, সেল করতে বলছে।

ইন্ডিকেটরের ধরনঃ

ইন্ডিকেটর আমাদের যেই তথ্যগুলো প্রদান করে, সেগুলো ব্যবহার করেও কিন্তু চমৎকারভাবে ট্রেড করা সম্ভব। আগে দেখে নেই ইন্ডিকেটর কয় ধরনের হয়ে থাকেঃ

  • ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর
  • ভোলাটিলিটি ইন্ডিকেটর
  • মোমেনটাম ইন্ডিকেটর
  • ভলিউম ইন্ডিকেটর
  • সাইকেল ইন্ডিকেটর
  • বিল উইলিয়ামস ইন্ডিকেটর

ট্রেন্ড ইন্ডিকেটরঃ ট্রেন্ড ইন্ডিকেটরগুলো মার্কেটে বিভিন্ন ট্রেন্ডের উপস্থিতি নির্দেশ করে। মার্কেট এখন কোন ট্রেন্ডে আছে – আপট্রেন্ড, ডাউনট্রেন্ড না সাইডওয়ে ট্রেন্ডে সে সম্পর্কে আপনি ধারনা পাবেন ট্রেন্ড ইন্ডিকেটরগুলোর মাধ্যমে। এছাড়াও ট্রেন্ডটি কতটুকু শক্তিশালী বা দুর্বল অথবা ট্রেন্ডটি শেষের দিকে কিনা তা জানতে পারবেন এসব ইন্ডিকেটর থেকে। কিছু জনপ্রিয় ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর হলঃ

  • মুভিং এভারেজ
  • MACD
  • হেইকেন আশি
  • প্যারাবোলিক সার
  • ADL (Advance Decline Line)
  • ADX (Average Directional Index) ইত্যাদি

ভোলাটিলিটি ইন্ডিকেটরঃ ভোলাটিলিটি ইন্ডিকেটরগুলো মার্কেটে প্রাইসের উঠা-নামার পরিমান নির্দেশ করে। মার্কেটে কি পরিমান ট্রেড হচ্ছে এবং ভোলাটিলিটি কম না বেশি সে সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায় এই সকল ইন্ডিকেটর থেকে। কিছু জনপ্রিয় ভোলাটিলিটি ইন্ডিকেটর হলঃ

  • বলিঙ্গার ব্যান্ডস (Bollinger Bands)
  • ATR (Average True Range) ইত্যাদি

মোমেনটাম ইন্ডিকেটরঃ মোমেনটাম ইন্ডিকেটরগুলো ট্রেন্ড কি শক্তিশালী না দুর্বল, over-bought না over-sold ইত্যাদি তথ্য নির্দেশ করে। কিছু জনপ্রিয় মোমেনটাম ইন্ডিকেটর হলঃ

  • RSI (Relative Strength Index)
  • Stochastic ইত্যাদি

ভলিউম ইন্ডিকেটরঃ ভলিউম ইন্ডিকেটরগুলো ট্রেডাররা মার্কেটে কি পরিমান অংশগ্রহন করছে তা নির্দেশ করে। কিছু জনপ্রিয় ভলিউম ইন্ডিকেটর হলঃ

  • Acceleration Bands
  • Chaikin Money Flow (CMF)
  • Money Flow Index (MFI) ইত্যাদি

সাইকেল ইন্ডিকেটরঃ সাইকেল ইন্ডিকেটরগুলো মার্কেটে বিভিন্ন প্যাটার্নের পুনরাবৃত্তি নির্দেশ করে। কিছু জনপ্রিয় সাইকেল ইন্ডিকেটর হলঃ

  • Elliott waves
  • Fibonacci Time Zones
  • Cycle Lines ইত্যাদি

বিল ইউলিয়ামস ইন্ডিকেটরঃ বিল ইউলিয়ামস নামের ১ ব্যক্তি বিশ্বাস করতেন যে বিভিন্ন ধরনের অ্যানালাইসিসের (টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল) ওপর দৃঢ় বিশ্বাসের কারনেই ট্রেডাররা লস করে। তাই তিনি মার্কেটের গঠনের ওপর ভিত্তি করে কিছু ইন্ডিকেটর প্রকাশ করেনঃ

  • Fractal (space)
  • The driving force (power)
  • Acceleration / deceleration (power)
  • Zones (strength and power)
  • Balance Line (balance)

এছাড়াও আরও কিছু ইন্ডিকেটর আছে যেগুলো আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিবে। যেমন- ব্যালেন্স, ইকুইটি, লট সাইজ, লিভারেজ, ক্যানডেল শেষ হবার সময়, স্প্রেড ইত্যাদি।

MQL প্রোগ্রামিং কি?

MQL এর পূর্ণরূপ হল MetaQuotes Language। এই ল্যাঙ্গুয়েজ এর সাহায্যে আপনি নিজেই এক্সপার্ট এডভাইসর এবং ইন্ডিকেটর বানাতে পারবেন।
MQL প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে আপনি কাস্টম ইন্ডিকেটর, স্ক্রিপ্ট, এক্সপার্ট এডভাইসর ইত্যাদি বানাতে পারবেন।
মেটাট্রেডারের সকল ইন্ডিকেটর, স্ক্রিপ্ট, এক্সপার্ট এডভাইসর প্রভৃতি MQL প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে বানানো।

MQL শিখে আপনি ফরেক্স না করে ফ্রিল্যান্সিং করেও আয় করতে পারবেন। ইত্যিমধ্যে ওডেস্ক এ এধরনের কাজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়া আপনি যদি ভাল মানের Indicator বা  EA বানাতে পারেন তাহলে তা বিক্সি করেও প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন।

অনেক ফরেক্স ট্রেডার নিজের মনের মতো করে Indicator বা  EA তৈরি করে ট্রেড করেন। এতে ভাল প্রফিটও হয়। এ সমস্ত ক্ষেত্রে তারা সেই Indicator বা  EA অন্য কাউকে দিতে বা বিক্রি করতে চান না।

MQL প্রোগ্রামিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ
http://docs.mql4.com/

MetaQuotes Language শেখার জন্য ভিজিট করুনঃ
http://articles.mql4.com/404

Harmonic Pattern Recognize Indicator

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

হারমোনিক প্যাটান ট্রেডিং হচ্ছে ফরেক্স, স্টক, কমোডেটিস ইত্যাদির জন্য একটি ট্রেডিং কৌশল যেটা প্রাইস রির্ভাসল চিহ্নিত করতে ৭০% কার্যকর। এইটা কম রিস্কে সঠিক সময়ে লো থেকে বাই এবং হাই থেকে সেল দেওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভবনা চিহ্নিত করে থাকে । এইটা ফিবোনিচ্চি এর উপর ভিত্তি করে বের করে থাকে।

আমার মত যারা এই হারমোনিক প্যাটান আকতে পারেন না তাদের জন্য আমি আজকে একটা ইন্ডিকেটর শেয়ার করব যার মাধ্যমে আপনি সহজে বিভিন্ন ধরনের প্যাটান পেয়ে যাবেন।

Download 

ইলিয়ট তরঙ্গের ইন্ডিকেটরসমূহ

ইলিয়ট তরঙ্গের ইন্ডিকেটরসমূহ

ডাউনলোডঃ Elliott_Waves.mq4
ডাউনলোডঃ FX5_NeelyElliotWave_v1.2.mq4
ডাউনলোডঃ IBFX-Waves.ex4
ডাউনলোডঃ Elliott_Wave_Oscillator.mq4
ডাউনলোডঃ 3_Level_ZZ_Semafor.mq4
ডাউনলোডঃ MTF_Elliott.mq4

আমরা প্রতিটি ইন্ডিকেটর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
আমাদের সাথেই থাকুন।

ForexSession

এই ইন্ডিকেটর দিয়ে আপনি কখন কোন মার্কেট খুলছে জানতে পারবেন। ফলে আপনি ঠিক করে নিতে পারবেন যে আপনি কোন মার্কেটে ট্রেড করতে চান।

 

Click the link to download the indicator

Download 

Forex Session

এই ইন্ডিকেটর দিয়ে আপনি কখন কোন মার্কেট খুলছে জানতে পারবেন। ফলে আপনি ঠিক করে নিতে পারবেন যে আপনি কোন মার্কেটে ট্রেড করতে চান।

 

Click the link to download the indicator

Download

ADX

The Average Directional Index, অথবা ADX ইন্ডিকেটরটি আপনাকে বর্তমান ট্রেন্ডের দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত করবে। এটা আপনাকে মার্কেট আপট্রেন্ডে না ডাউনট্রেন্ডে আছে তা বলে দিবে না, কিন্তু মার্কেট কি একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘুরছে না মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে তা জানতে আপনাকে সাহায্য করবে।
এতে ০ থেকে ১০০ এর স্কেল রয়েছে। ২০ এর নিচে রিডিং নির্দেশ করে বর্তমান ট্রেন্ডটি দুর্বল, এবং ৫০ এর ওপরে রিডিং নির্দেশ করে যে বর্তমান ট্রেন্ডটি যথেষ্ট শক্তিশালী।
নিচের চার্টটি দেখুনঃ

17

 

ওপরের উদাহরণে দেখুন, সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ADX ২০ এর নিচে ছিল। তখন প্রাইস একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে।
জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে ADX ৫০ এ চলে গিয়েছিল এবং নির্দেশ করেছে যে একটি শক্তিশালি ট্রেন্ড গঠিত হতে পারে। এরপর কি হয়েছিল? চার্টে দেখুন। শক্তিশালি ডাউনট্রেন্ডের ফলে EURCHF ৪০০ পিপস কমে গিয়েছিল।
সুতরাং, যে এই ট্রেন্ডের দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত ছিল, সে কিন্তু ডাউনট্রেন্ড দেখে সহজেই নিশ্চিন্তে সেল অর্ডার ওপেন করেছে এবং প্রায় ৪০০ পিপসের মত লাভ করেছে।
পরবর্তী উদাহরণটি দেখুনঃ

18

প্রথম উদাহরণটির মতই, ADX অনেকক্ষণ ২০ এর নিচে ছিল এবং তখন EURCHF রেঞ্জিং করছিল, কিন্তু যখন হঠাৎ ADX ৫০ এর ওপরে উঠে আসে, এবং EURCHF আপট্রেন্ডের ফলে অনেক বেড়ে যায়।
ADX ইন্ডিকেটর কিন্তু আপনাকে কখনই বলবে না যে কখন বাই করতে হবে অথবা কখন সেল করতে হবে। এটা আপনাকে বলে দিবে যে সম্ভাব্য বা বর্তমান ট্রেন্ডে যে আপনি ট্রেড করতে চাচ্ছেন, তা নিরাপদ কিনা।
ADX এর সাহায্যে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কখন আপনার ট্রেডটি ক্লোজ করা উচিত। যখন ADX ৫০ থেকে কমে যেতে থাকবে, তখন আপনাকে বুঝতে হবে যে বর্তমান ট্রেন্ডটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, তাই তখন আপনি আপনার প্রফিট লক করতে পারেন।
আপনি ADX কে অন্য একটি ইন্ডিকেটরের সাথে ব্যবহার করতে পারেন যা আপনাকে বলে দিবে যে মার্কেট কি আপট্রেন্ডে না ডাউনট্রেন্ডে।

 

This Post Is Tagged

RSI

Relative Strength Index, অথবা RSI, ইন্ডিকেটরটি stochastic এর মতই একটি ইন্ডিকেটর যা মার্কেটের overbought বা oversold অবস্থা নির্দেশ করে। RSI এ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কেল রয়েছে। ৩০ এর নিচে রিডিং oversold নির্দেশ করে, এবং ৭০ এর ওপর রিডিং overbought নির্দেশ করে।

14

 

কিভাবে RSI ব্যবহার করে ট্রেড করতে হয়

RSI ইন্ডিকেটরটি আপনি stochastic এর মত করেই ব্যবহার করতে পারেন। আমরা টপ এবং বটম পয়েন্টগুলোকে ব্যবহার করে জানতে পারি মার্কেট কি overbought না oversold.
নিচে একটি EURUSD এর 4 Hour চার্ট রয়েছেঃ

15

 

চার্টে দেখুন EURUSD এর দাম ঐ সপ্তাহে অনেক কমেছে, ২ সপ্তাহে প্রায় ৪০০ পিপসের মত কমে গেছে।
৭ জুনে প্রাইস ১.২০০০ এর নিচে ছিল। একই সময়ে RSI ৩০ এর নিচে চলে গিয়েছিল। এটা সিগন্যাল দিয়েছে যে সম্ভবত মার্কেটে আর কোন সেলার নেই এবং হয়তো এখন সবাই বাই এর দিকে যেতে পারে। এরপর প্রাইস ওপরের দিকে উঠে গেছে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেক বেড়ে গেছে।
RSI এর সাহায্যে ট্রেন্ড নির্ধারণ করাঃ
RSI এর মাধ্যমে আপনি মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। আপনার যদি মনে হয় মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে, দেখুন যে RSI কি ৫০ এর ওপরে না নিচে। আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য আপট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর ওপরে কিনা। আর আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর নিচে আছে কিনা।

16

 

চার্টটি দেখে মনে হচ্ছে যে মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে। ডাউনট্রেন্ড নিশ্চিত করার জন্য আমরা এখন RSI ৫০ এর নিচে নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি। যখন RSI ৫০ ক্রস করে নিচে নামবে, তখন আমরা মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারবো যে মার্কেটে ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছে।

This Post Is Tagged

Stochastic

Stochastic হল আরেকটি ইন্ডিকেটর যা আমাদের কখন ট্রেন্ডের সমাপ্তি হতে পারে তা নির্দেশ করে।
Stochastic মার্কেট overbought না oversold তা নির্দেশ করে।11

Stochastic ব্যবহার করে কিভাবে ট্রেড করতে হয়ঃ

Stochastic আমাদের বলে দেয় কখন মার্কেট overbought এবং কখন মার্কেট oversold.
Stochastic এ ০ থেকে ১০০ পর্যন্ত একটি স্কেল আছে। যখন Stochastic লাইন ৮০’র ওপরে থাকে (অর্থাৎ লাল ডট ডট লাইনের ওপরে থাকে), তখন বুঝতে হবে যে মার্কেট এখন overbought. আর যখন Stochastic লাইন ২০’র নিচে থাকে (অর্থাৎ নীল ডট ডট লাইনের নিচে থাকে), তখন বুঝতে হবে যে মার্কেট এখন oversold.
আর আমরা জানি যে মার্কেট যখন oversold থাকে তখন আমরা বাই করি, এবং মার্কেট যখন overbought থাকে তখন আমরা সেল করি।

12

ওপরের চার্টটি দেখুন। Stochastic অনেকক্ষণ থেকেই overbought অবস্থা দেখাচ্ছে। এই চার্ট দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে? প্রাইস এরপর কোথায় যেতে পারে?

13

আপনার উত্তর যদি হয়ে থাকে যে প্রাইস এখন কমবে তাহলে আপনি একদম সঠিক। কারন মার্কেট অনেকক্ষণ ধরেই overbought অবস্থায় আছে, তাই এই অবস্থায় এখন প্রাইস কমে যেতে বাধ্য।
Stochastic ইন্ডিকেটরের বেসিক কার্যপ্রণালী এটাই। অনেক ট্রেডার Stochastic কে অন্যভাবেও ব্যবহার করেন। কিন্তু মার্কেটের overbought অথবা oversold অবস্থা বোঝাতেই Stochastic ইন্ডিকেটরটি মূলত ব্যবহৃত হয়।

Parabolic Sar

অধিকাংশ ইন্ডিকেটর আপনাকে নতুন ট্রেন্ড শুরু হবার সিগন্যাল দেয়। নতুন ট্রেন্ড চিহ্নিত করা যেমন জরুরি, তেমনি ট্রেন্ডের সমাপ্তি চিহ্নিত করাটাও ততটা জরুরী। যদি সঠিক সময়ে ট্রেড ক্লোজ না করা হয় তবে সঠিক সময়ে ট্রেড ওপেন করে খুব একটা লাভ নেই।64

 

Parabolic SAR (Stop And Reversal) ইন্ডিকেটরটি ট্রেন্ড কখন শেষ হতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা পেতে আমাদের সাহায্য করে। Parabolic Sar চার্টে ডট অথবা পয়েন্টের সাহায্যে ট্রেন্ডের পরিবর্তন নির্দেশ করে।

 

কিভাবে Parabolic SAR এর সাহায্যে ট্রেড করবেনঃ

Parabolic SAR খুব সহজ এবং সাধারন একটি ইন্ডিকেটর। যখন ক্যানডেলের নিচে ডট আসে, তখন তা বাই সিগন্যাল বোঝায়। আর যখন ক্যানডেলের ওপরে ডট আসে তখন তা সেল সিগন্যাল বোঝায়।65

 

ট্রেন্ডিং মার্কেটে এই ইন্ডিকেটরটি অনেক ভাল কাজ করবে। কিন্তু মার্কেট যখন সাইডওয়ে ট্রেন্ডে থাকে, তখন আপনি ভাল ফল পাবেন না।

কিভাবে Parabolic Sar এর সাহায্যে ট্রেড ক্লোজ করবেনঃ

কখন আপনার ট্রেড ক্লোজ করা উচিত তা আপনি Parabolic Sar এর সাহায্যে বুঝতে পারেন। নিচের EURUSD চার্টে দেখুন Parabolic Sar exit সিগন্যাল হিসেবে কাজ করেছে ডেইলি চার্টে।66

৩ টি ডট দেখলেই আপনি আপনার পূর্বের ট্রেড ক্লোজ করে নতুন ট্রেন্ডের দিকে নতুন ট্রেড ওপেন করতে পারেন।

Bollinger Bands

Bollinger Band ইন্ডিকেটর টিতে ৩ টি ব্যান্ড থাকে যাকে upper band, middle band এবং lower band বলা হয়।BollingerBandsESbuysell
মার্কেট ভোলাটিলিটি অনুধাবন করার জন্য Bollinger Bands ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করা হয়।
এই ছোট টুলসটি আমাদের বলে দিবে যে মার্কেট কি এখন শান্ত না অশান্ত। যখন মার্কেট শান্ত থাকে তখন ব্যান্ড ২টি সংকুচিত হয়ে যায়, আর যখন মার্কেট অশান্ত থাকে তখন ব্যান্ড ২টি প্রশস্ত হয়ে যায়।
নিচের চার্টটি দেখুন। যখন মার্কেট শান্ত ছিল, তখন ব্যান্ড ২টি কাছাকাছি ছিল। কিন্তু যখন প্রাইস খুব দ্রুত বেড়ে গেছে অর্থাৎ মার্কেট অশান্ত হয়ে গেছে, তখন ব্যান্ড ২টি দূরে সরে গেছে।

gbpusd-bollinger-bands-scalping

Bollinger Bounce:

Bollinger Bands সম্পর্কে একটি ব্যাপার আপনার জেনে রাখা দরকার যে প্রাইস অধিকাংশ সময় ব্যান্ডের মাঝখানে ফিরে আসে। এটাই হল Bollinger Bounce এর আসল আইডিয়া। নিচের চার্টটি দেখে কি আপনি বলতে পারেন যে প্রাইস পরবর্তীতে কোথায় যেতে পারে?

60

এখন আপনি যদি বলে থাকেন যে দাম কমবে তাহলে আপনার উত্তর সঠিক। নিচের চার্টে আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে প্রাইস কমে গেছে এবং প্রাইস ব্যান্ড ২টির মাঝখানে চলে এসেছে।

61

আপনি এখন যেটা দেখলেন সেটা হল Bollinger Bounce. এরকম বাউন্স হবার কারন হল Bollinger bands এর ব্যান্ড ২টি ডাইনামিক সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করে।
আপনি যত বড় টাইমফ্রেম ব্যবহার করবেন, ব্যান্ডগুলো তত শক্তিশালি হবে। মার্কেট যখন একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করে এবং কোন নির্দিষ্ট ট্রেন্ড থাকে না, তখন এই স্ট্রাটেজীটি ভাল কাজ করে।

Bollinger Squeeze:

যখন ব্যান্ড ২টি খুব বেশি সংকুচিত হয়ে যায় তখন এটি সাধারনত নির্দেশ করে যে সম্ভবত ব্রেকআউট হতে যাচ্ছে।
যদি ক্যানডেল ওপরের ব্যান্ডটিকে ব্রেক করে ওপরে উঠে যায় তবে সাধারনত প্রাইস আরও ওপরে উঠতে থাকে অর্থাৎ প্রাইস বাড়তে থাকে। আর যদি ক্যানডেল নিচের ব্যান্ডটিকে ব্রেক করে নিচে নামতে থাকে, তাহলে প্রাইস আরও নিচে নামতে থাকে অর্থাৎ প্রাইস কমতে থাকে।

62

ওপরের চার্টটি দেখুন। ব্যান্ড ২টি সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রাইস ওপরের ব্যান্ডটি ব্রেক করে ওপরে উঠে যাচ্ছে। এই চার্টের ওপর ভিত্তি করে আপনি কি মনে করেন প্রাইস কি বাড়বে না কমবে?

63

আপনি যদি বলে থাকেন যে প্রাইস বাড়বে তাহলে আপনি সঠিক। এভাবেই সাধারন Bollinger Squeeze কাজ করে।
এরকম ট্রেডের সুযোগ আপনি প্রতিদিন পাবেন না। কিন্তু ১৫ মিনিটের চার্টে আপনি সপ্তাহে কয়েকবার এরকম ট্রেডের সুযোগ পেতে পারেন।
Bollinger bands দিয়ে বিভিন্ন ভাবে ট্রেড করা যায়। কিন্তু এই ২টি হল Bollinger Bands দিয়ে ট্রেড করার সবচেয়ে সহজ এবং সাধারণ ট্রেডিং স্ট্রাটেজী।

Parabolic SAR