ফরেক্স ট্রেড কি খু্বই রিস্কি?

সেটা সম্পুর্ন আপনার উপর নির্ভরশীল। আপনি চাইলে ১০ মিনিটেই  আপনার একাউন্ট  শূন্য হয়ে যেতে পারে আর আপনি না চাইলে আপনার একাউন্ট কোনদিনও শূন্য হবেনা। অর্থাত আপনার একাউন্ট শূন্য করার ক্ষমতা শুধু আপনার কাছে। সেখেত্রে অভিজ্ঞ কোন ট্রেডারের সহযোগিতা খুবই জরুরী। শুধু Google search  করে আর blog এর post পড়ে যারা trade করে তাদের ফলাফল ৯৯.৯৯% ক্ষেত্রে গালি দিতে দিতে ফরেক্স থেকে বের হয়ে যায়।

ফরেক্স ট্রেড করতে কি কি দরকার?

.

ইন্টারনেট কানেকশন সহ একটি কম্পিউটার ও প্রাথমিক পর্যায়ে অল্প কিছু পুঁজি এমনকি আপনি ৫ ডলার দিয়েও শুরু করতে পারেন। ৫ ডলার দিয়ে শুরু করলেও লেভারেজের কারণে কেনাবেচা করা যাবে অনেক বেশী পরিমাণের। বেশীরভাগ ব্রকারই ১:২০০ লেভারেজ দেয় অর্থাৎ ৫ ডলার বিনিয়োগ করে ১,০০০  ডলার পর্যন্ত কেনাবেচা করা যাবে।

ফরেক্স করার জন্য দ্বিতীয় যে জিনিসটা আপনার দরকার সেটা হলো ফরেক্স ট্রেডটা ভাল মতো শিখে নেয়া।

 

  1. লেভারেজ কি?

ইনভেস্ট ছাড়াই ফরেক্স করুন

Do forex without investইনস্টাফরেক্স এখন স্কাম হয়ে গেছে। তাই ইনস্টা ফরেক্স এর  কোন ফোরামে পোস্ট করে লাভ নেই। প্রথমত ডলার দিবেনা। দিলেও আপনি যদি প্রফিট করেন তো একাউন্ট ব্যান করে দিবে। প্রথম কিছুদিন উইথড্র করলে ডলার দিছে। এখন বাটপারীর চরম সীমায় উঠে গেছে। আপনারা Mayzuz এ পোস্ট করতে পারেন। ওরা এখন পেমেন্ট দিচ্ছে।

 

ইনস্টাফরেক্স রিলেটেড অনেকগুলো ফোরাম আছে যে ফোরাম গুলোতে উপযুক্ত মন্তব্য পেশ করলে তারা আমাদেরকে ২০ অথবা ৩০ সেন্ট করে প্রদান করে থাকে । তাদের ফোরামে বিভিন্ন টপিকস থাকবে সেই টপিকস এর উপর ভিত্তি করে আপনাকে কমেন্ট করতে হবে । যেমন –

1. Demo Trading is important or not?

2. What do you like scalping or day trading?

3. Do you use indicator?

এই ৩ টা আলাদা আলাদা টপিক এবং টপিক গুলো এই টাইপের থাকবে এবং আপনাকে টপিকের উপর ভিত্তি করে কমেন্ট করতে হবে । প্রত্যেক কমেন্টের জন্য ২০ অথবা ৩০ সেন্ট করে পাবেন এটা একেক ফোরাম এ একেক রকম ।

ফোরাম গুলোর কিছু বিশেষ কিছু রুলস আছে যা আমাদের মেনে চলতে হবে একটু এদিক সেদিক হলেই ব্যান করে দিবে । সেই রুলস গুলো নিম্নরুপ:

১. একটা পিসি থেকে আপনি একটাই একাউন্ট করতে পারবেন ।

২. কোন ধরনের স্পামিং করলে সাথে সাথে ব্যান করবে নিরবে ।

৩. কোন মেম্বারের কমেন্ট কপি পেস্ট করলেই ব্যান খাবেন ।

৪. কোন মিথ্যা , অশ্লিল কিছু পোস্ট করা যাবে না ।

৫. প্রত্যেক কমেন্ট এর ফন্ট সাইজ ২ এবং কমেন্ট দের থেকে দুই লাইন হতে হবে টপিক বুঝে ।

আরো অনেক কিছু আছে যা আপ্নারা সাইট ভিসিট করলে জানতে পারবেন ।

এখন পেমেন্ট এর কথায় –

ধরুন আপনি প্রতিদিন ২০ টি করে সারা মাসে ৬০০ টি পোস্ট করেছেন যার ফলে আপনি ৬০০*৩০ সেন্ট = ১৮০ ডলার পাবেন ।

এই ডলার আপনি সরাসরি withdraw করতে পারবেন না। এটা দিয়ে ট্রেড করতে পারবেন। যদি প্রফিট করতে পারেন তাহলে শুধু প্রফিট টা withdraw করতে পারবেন।

আপনাকে প্রথমে Instaforex এ একটা Account খুলতে হবে . একাউন্ট খোলার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Open a Forum Posting Trading Account

এই Account টা ফোরাম এ লিঙ্ক করতে হবে এবং একটা ফোরাম এ একটাই লিঙ্ক করতে পারবেন এবং ২ মাসের মধ্যে তা চেঞ্জ করতে পারবেন না এবং তা করার পর প্রতি মাসের ১ থেকে ৮ তারিকের মধ্যে আপনার instaforex account এ ডলার জমা হয়ে যাবে যা দিয়ে আপনি দস্তুর মত ট্রেড করতে পারবেন কোন রিস্ক ছাড়া কিন্তু withdraw দিতে পারবেন না যতক্ষন না আপনি প্রফিট করতে পারবেন । আপনি প্রফিট করার সাথে সাথেই তা withdraw দিতে পারবেন । ধরুন আপনি বোনাস পেয়েছেন ৩০ ডলার এখন ৩০ এর উপরে যত ডলার আপনি করতে পারবেন সব আপনার । withdraw করার নিয়মটা এখানে ক্লিক করে জেনে নিন।

ফোরাম পোস্টিং ডলার উঠানোর নিয়ম

সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্চে আপনি প্রথম মাসে যদি ১৮০ ডলার করেন তাহলে ছোট ছোট ট্রেড করুন আর সাথে ফোরাম পোস্ট করুন তাহলে ২য় মাসে আরো বোনাস জমা হবে এতে করে আপনি আপনার ব্যালেন্স অনেকটা বাড়িয়ে নিতে পারবেন

ইন্ডিয়ার ফোরামে ৩০ সেন্ট পাবেন প্রতি কমেন্টের জন্য ।

নাইজেরিয়া ফোরামে 20 সেন্ট করে পাবেন ।

ইনস্টাফরেক্সে একাউন্ট খোলা হলে এবার fourm এ চলে যান।

অনেকেই ইনডিয়ান ফোরামে ব্যান হচ্ছেন, কিন্তু এমটি ফাইভে হচ্ছেন না। তাই নতুনদের শুধু এমটি ফাইভেই একাউন্ট খোলা উচিত।

 

ForexPeoples Forum

ফোরামে একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খোলার পর My profile এ ক্লিক করুন, এর পর Bonus for post – এ ক্লিক করুন + এ ক্লিক করে আপনার ইন্সটাফরেস্কের একাউন্ট নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিন। এভাবে প্রতিটি ফোরামে আপনার ইন্সটাফরেস্কের একাউন্ট এড করুন।

আবার কাউকে রেফার করলে আপনিও পাবেন প্রতি পোস্টে ১০ সেন্ট করে। কাজেই অফুরন্ত সুজুগ রয়েছে,ডিপোজিট সংগ্রহ করার। আজই নেমে পরুন।

আমার মতে দিনে ৫ টির বেশী পোস্ট ঠিক না নতুন অবস্থায়। পরবর্তীতে কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট হলে ৫০ এর উপরে পোস্ট করা যাবে। আজে বাজে পোস্ট করলে বেন হয়ে যাবেন।সাবধান।

কোন সমস্যা হলে যোগাযোগ করতে পারেন- Skype: ABASAYA

ফরেক্স কপি

ফরেক্স কপি একটি মজার সিসটেম। আপনি যদি ভাল ট্রেডার না হন। তাহলে আপনি অন্য কোন ভাল ট্রেডারকে ফলো করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সেই ট্রেডার  যে ট্রেড করবে আপনার একাউন্টেও একই ট্রেড হবে সয়ংক্রিয়ভাবে। বসে বসে প্রফিট। কাউকে ফলো করার জন্য আপনার একাউন্টে কোন প্রকার বোনাস ছাড়া কমপক্ষে  ১০ রিয়াল ডলার থাকতে হবে ।

আপনার একাউনেট কম ডলার থাকলেও আপনি  বেশি ডলার একাউন্ট কে ফলো করতে পারবেন। ট্রেডারকে কপি করার সময় লট রেশিও টা কমিয়ে দিবেন। যেমন ট্রেডার যদি ১ লট্ ট্রেড ওপেন করে তাহলে আপনার ওপেন হবে ০.০১ । .  যাদের ডলার ট্রেডার এর চেয়ে বেশি তারা উল্টোটা করবেন। যেমন ট্রেডার যদি ১ লট  ওপেন করে তাহলে আপনার ওপেন হবে ২ লট।  আপনার ব্যালেন্স এবং ট্রেডারের ব্যালেন্স এর রেশিও মিলিয়ে যেটা নিরাপদ হয় তেমনটাই লট সেট করবেন। প্রয়োজনে ট্রেডারের সাথে আলোচনা করে নিবেন।

সতর্কতা: মনে রাখবেন ট্রেডার প্রফিটে ও থাকলে আপনিও প্রফিটে। ট্রেডার লসে থাকলে আপনিও লসে। আপনার ব্যালান্স শূন্য পযর্ন্ত হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্রোকার বা ট্রেডার কেউ আপনাকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরন দেবেনা। এটা মাথায় রেখেই কপি প্রজেক্টে আপনার নামা উচিত।

 

 

 

 

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:  skype: BDForexSchool

ADX

The Average Directional Index, অথবা ADX ইন্ডিকেটরটি আপনাকে বর্তমান ট্রেন্ডের দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত করবে। এটা আপনাকে মার্কেট আপট্রেন্ডে না ডাউনট্রেন্ডে আছে তা বলে দিবে না, কিন্তু মার্কেট কি একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘুরছে না মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে তা জানতে আপনাকে সাহায্য করবে।
এতে ০ থেকে ১০০ এর স্কেল রয়েছে। ২০ এর নিচে রিডিং নির্দেশ করে বর্তমান ট্রেন্ডটি দুর্বল, এবং ৫০ এর ওপরে রিডিং নির্দেশ করে যে বর্তমান ট্রেন্ডটি যথেষ্ট শক্তিশালী।
নিচের চার্টটি দেখুনঃ

17

 

ওপরের উদাহরণে দেখুন, সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ADX ২০ এর নিচে ছিল। তখন প্রাইস একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে।
জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে ADX ৫০ এ চলে গিয়েছিল এবং নির্দেশ করেছে যে একটি শক্তিশালি ট্রেন্ড গঠিত হতে পারে। এরপর কি হয়েছিল? চার্টে দেখুন। শক্তিশালি ডাউনট্রেন্ডের ফলে EURCHF ৪০০ পিপস কমে গিয়েছিল।
সুতরাং, যে এই ট্রেন্ডের দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত ছিল, সে কিন্তু ডাউনট্রেন্ড দেখে সহজেই নিশ্চিন্তে সেল অর্ডার ওপেন করেছে এবং প্রায় ৪০০ পিপসের মত লাভ করেছে।
পরবর্তী উদাহরণটি দেখুনঃ

18

প্রথম উদাহরণটির মতই, ADX অনেকক্ষণ ২০ এর নিচে ছিল এবং তখন EURCHF রেঞ্জিং করছিল, কিন্তু যখন হঠাৎ ADX ৫০ এর ওপরে উঠে আসে, এবং EURCHF আপট্রেন্ডের ফলে অনেক বেড়ে যায়।
ADX ইন্ডিকেটর কিন্তু আপনাকে কখনই বলবে না যে কখন বাই করতে হবে অথবা কখন সেল করতে হবে। এটা আপনাকে বলে দিবে যে সম্ভাব্য বা বর্তমান ট্রেন্ডে যে আপনি ট্রেড করতে চাচ্ছেন, তা নিরাপদ কিনা।
ADX এর সাহায্যে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কখন আপনার ট্রেডটি ক্লোজ করা উচিত। যখন ADX ৫০ থেকে কমে যেতে থাকবে, তখন আপনাকে বুঝতে হবে যে বর্তমান ট্রেন্ডটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, তাই তখন আপনি আপনার প্রফিট লক করতে পারেন।
আপনি ADX কে অন্য একটি ইন্ডিকেটরের সাথে ব্যবহার করতে পারেন যা আপনাকে বলে দিবে যে মার্কেট কি আপট্রেন্ডে না ডাউনট্রেন্ডে।

 

This Post Is Tagged

RSI

Relative Strength Index, অথবা RSI, ইন্ডিকেটরটি stochastic এর মতই একটি ইন্ডিকেটর যা মার্কেটের overbought বা oversold অবস্থা নির্দেশ করে। RSI এ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কেল রয়েছে। ৩০ এর নিচে রিডিং oversold নির্দেশ করে, এবং ৭০ এর ওপর রিডিং overbought নির্দেশ করে।

14

 

কিভাবে RSI ব্যবহার করে ট্রেড করতে হয়

RSI ইন্ডিকেটরটি আপনি stochastic এর মত করেই ব্যবহার করতে পারেন। আমরা টপ এবং বটম পয়েন্টগুলোকে ব্যবহার করে জানতে পারি মার্কেট কি overbought না oversold.
নিচে একটি EURUSD এর 4 Hour চার্ট রয়েছেঃ

15

 

চার্টে দেখুন EURUSD এর দাম ঐ সপ্তাহে অনেক কমেছে, ২ সপ্তাহে প্রায় ৪০০ পিপসের মত কমে গেছে।
৭ জুনে প্রাইস ১.২০০০ এর নিচে ছিল। একই সময়ে RSI ৩০ এর নিচে চলে গিয়েছিল। এটা সিগন্যাল দিয়েছে যে সম্ভবত মার্কেটে আর কোন সেলার নেই এবং হয়তো এখন সবাই বাই এর দিকে যেতে পারে। এরপর প্রাইস ওপরের দিকে উঠে গেছে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেক বেড়ে গেছে।
RSI এর সাহায্যে ট্রেন্ড নির্ধারণ করাঃ
RSI এর মাধ্যমে আপনি মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। আপনার যদি মনে হয় মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে, দেখুন যে RSI কি ৫০ এর ওপরে না নিচে। আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য আপট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর ওপরে কিনা। আর আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর নিচে আছে কিনা।

16

 

চার্টটি দেখে মনে হচ্ছে যে মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে। ডাউনট্রেন্ড নিশ্চিত করার জন্য আমরা এখন RSI ৫০ এর নিচে নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি। যখন RSI ৫০ ক্রস করে নিচে নামবে, তখন আমরা মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারবো যে মার্কেটে ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছে।

This Post Is Tagged

Stochastic

Stochastic হল আরেকটি ইন্ডিকেটর যা আমাদের কখন ট্রেন্ডের সমাপ্তি হতে পারে তা নির্দেশ করে।
Stochastic মার্কেট overbought না oversold তা নির্দেশ করে।11

Stochastic ব্যবহার করে কিভাবে ট্রেড করতে হয়ঃ

Stochastic আমাদের বলে দেয় কখন মার্কেট overbought এবং কখন মার্কেট oversold.
Stochastic এ ০ থেকে ১০০ পর্যন্ত একটি স্কেল আছে। যখন Stochastic লাইন ৮০’র ওপরে থাকে (অর্থাৎ লাল ডট ডট লাইনের ওপরে থাকে), তখন বুঝতে হবে যে মার্কেট এখন overbought. আর যখন Stochastic লাইন ২০’র নিচে থাকে (অর্থাৎ নীল ডট ডট লাইনের নিচে থাকে), তখন বুঝতে হবে যে মার্কেট এখন oversold.
আর আমরা জানি যে মার্কেট যখন oversold থাকে তখন আমরা বাই করি, এবং মার্কেট যখন overbought থাকে তখন আমরা সেল করি।

12

ওপরের চার্টটি দেখুন। Stochastic অনেকক্ষণ থেকেই overbought অবস্থা দেখাচ্ছে। এই চার্ট দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে? প্রাইস এরপর কোথায় যেতে পারে?

13

আপনার উত্তর যদি হয়ে থাকে যে প্রাইস এখন কমবে তাহলে আপনি একদম সঠিক। কারন মার্কেট অনেকক্ষণ ধরেই overbought অবস্থায় আছে, তাই এই অবস্থায় এখন প্রাইস কমে যেতে বাধ্য।
Stochastic ইন্ডিকেটরের বেসিক কার্যপ্রণালী এটাই। অনেক ট্রেডার Stochastic কে অন্যভাবেও ব্যবহার করেন। কিন্তু মার্কেটের overbought অথবা oversold অবস্থা বোঝাতেই Stochastic ইন্ডিকেটরটি মূলত ব্যবহৃত হয়।

Parabolic Sar

অধিকাংশ ইন্ডিকেটর আপনাকে নতুন ট্রেন্ড শুরু হবার সিগন্যাল দেয়। নতুন ট্রেন্ড চিহ্নিত করা যেমন জরুরি, তেমনি ট্রেন্ডের সমাপ্তি চিহ্নিত করাটাও ততটা জরুরী। যদি সঠিক সময়ে ট্রেড ক্লোজ না করা হয় তবে সঠিক সময়ে ট্রেড ওপেন করে খুব একটা লাভ নেই।64

 

Parabolic SAR (Stop And Reversal) ইন্ডিকেটরটি ট্রেন্ড কখন শেষ হতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা পেতে আমাদের সাহায্য করে। Parabolic Sar চার্টে ডট অথবা পয়েন্টের সাহায্যে ট্রেন্ডের পরিবর্তন নির্দেশ করে।

 

কিভাবে Parabolic SAR এর সাহায্যে ট্রেড করবেনঃ

Parabolic SAR খুব সহজ এবং সাধারন একটি ইন্ডিকেটর। যখন ক্যানডেলের নিচে ডট আসে, তখন তা বাই সিগন্যাল বোঝায়। আর যখন ক্যানডেলের ওপরে ডট আসে তখন তা সেল সিগন্যাল বোঝায়।65

 

ট্রেন্ডিং মার্কেটে এই ইন্ডিকেটরটি অনেক ভাল কাজ করবে। কিন্তু মার্কেট যখন সাইডওয়ে ট্রেন্ডে থাকে, তখন আপনি ভাল ফল পাবেন না।

কিভাবে Parabolic Sar এর সাহায্যে ট্রেড ক্লোজ করবেনঃ

কখন আপনার ট্রেড ক্লোজ করা উচিত তা আপনি Parabolic Sar এর সাহায্যে বুঝতে পারেন। নিচের EURUSD চার্টে দেখুন Parabolic Sar exit সিগন্যাল হিসেবে কাজ করেছে ডেইলি চার্টে।66

৩ টি ডট দেখলেই আপনি আপনার পূর্বের ট্রেড ক্লোজ করে নতুন ট্রেন্ডের দিকে নতুন ট্রেড ওপেন করতে পারেন।

Bollinger Bands

Bollinger Band ইন্ডিকেটরটি John Bollinger নামে একজন টেকনিক্যাল এনালিস্ট মার্কেটের ভোলাটিলিটি এবং মার্কেট কতটুকু ওয়ারবট বা কতটুকু ওভারসোল্ড তা বোঝার জন্য তৈরি করেন।

BollingerBandsESbuysell
gbpusd-bollinger-bands-scalping

Bollinger Band (BB) এর ব্যান্ডগুলি কি?

Bollinger Band (BB) ইন্ডিকেটর টিতে ৩ টি ব্যান্ড থাকে যাকে

  • An upper band
  • A middle line
  • A lower band

অধিকাংশ চার্টিং প্রোগ্রাম ডিফল্টভাবে এটা 20-পিরিয়ডের থাকে, বেশিরভাগ ট্রেডার এই ডিফল্ট সেটিংয়েই ট্রেড করে, কিন্তু আপনি চাইলে মুভিং এভারেজের পিরিয়ড চেঞ্জ করে এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন কোন পিরিয়ডে ভাল রেজাল্ট পাওযা যায়। তবে তার আগে ডিফল্ট সেটিংয়ে কিছুদিন অভিজ্ঞতা নেওয়া উচিত।

উপরের এবং নিচের লাইন বা বান্ড দুটি হলো মাঝের লাইন (মুভিং এভারেজের)  এর গতানুগতিক বিচ্যুতি বা  standard deviation (SD)

যদি উপরের এবং নীচের ব্যান্ডগুলি 1 স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন হয়, তাহলে এর অর্থ হল প্রায় 68% মূল্য পরিবর্তন যেগুলি সাম্প্রতিকভাবে ঘটেছে তা এই ব্যান্ডগুলিতে ভিতরে ছিল।

যদি উপরের এবং নীচের ব্যান্ডগুলি 2 স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন হয়, তাহলে এর অর্থ হল প্রায় 95% মূল্য পরিবর্তন যেগুলি সাম্প্রতিকভাবে ঘটেছে তা এই ব্যান্ডগুলিতে ভিতরে ছিল।

standard deviation 
Bd Forex School

যেহেতু দেখা যাচ্ছে, আপনি ব্যান্ডগুলিতে ব্যবহার করা SD এর মান যত বেশি হয়, তত বেশি মূল্যগুলি ব্যান্ডগুলির ভিতরে থাকে।

বাই ডিফল্ট SD এর মান ২ থাকে, তবে আপনি চাইলে ৩ এ পরিবর্তন করে পরিক্ষা করে দেখতে পারেন রেজাল্ট কেমন পাওয়া যায়।

 

Bollinger Bounce:

Bollinger Bands সম্পর্কে একটি ব্যাপার আপনার জেনে রাখা দরকার যে প্রাইস অধিকাংশ সময় ব্যান্ডের মাঝখানে ফিরে আসে। এটাই হল Bollinger Bounce এর আসল আইডিয়া। নিচের চার্টটি দেখে কি আপনি বলতে পারেন যে প্রাইস পরবর্তীতে কোথায় যেতে পারে?

60

এখন আপনি যদি বলে থাকেন যে দাম কমবে তাহলে আপনার উত্তর সঠিক। নিচের চার্টে আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে প্রাইস কমে গেছে এবং প্রাইস ব্যান্ড ২টির মাঝখানে চলে এসেছে।

61

আপনি এখন যেটা দেখলেন সেটা হল Bollinger Bounce. এরকম বাউন্স হবার কারন হল Bollinger bands এর ব্যান্ড ২টি ডাইনামিক সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করে।
আপনি যত বড় টাইমফ্রেম ব্যবহার করবেন, ব্যান্ডগুলো তত শক্তিশালি হবে। মার্কেট যখন একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করে এবং কোন নির্দিষ্ট ট্রেন্ড থাকে না, তখন এই স্ট্রাটেজীটি ভাল কাজ করে।

Bollinger Squeeze:

যখন ব্যান্ড ২টি খুব বেশি সংকুচিত হয়ে যায় তখন এটি সাধারনত নির্দেশ করে যে সম্ভবত ব্রেকআউট হতে যাচ্ছে।
যদি ক্যানডেল ওপরের ব্যান্ডটিকে ব্রেক করে ওপরে উঠে যায় তবে সাধারনত প্রাইস আরও ওপরে উঠতে থাকে অর্থাৎ প্রাইস বাড়তে থাকে। আর যদি ক্যানডেল নিচের ব্যান্ডটিকে ব্রেক করে নিচে নামতে থাকে, তাহলে প্রাইস আরও নিচে নামতে থাকে অর্থাৎ প্রাইস কমতে থাকে।

62

ওপরের চার্টটি দেখুন। ব্যান্ড ২টি সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রাইস ওপরের ব্যান্ডটি ব্রেক করে ওপরে উঠে যাচ্ছে। এই চার্টের ওপর ভিত্তি করে আপনি কি মনে করেন প্রাইস কি বাড়বে না কমবে?

63

আপনি যদি বলে থাকেন যে প্রাইস বাড়বে তাহলে আপনি সঠিক। এভাবেই সাধারন Bollinger Squeeze কাজ করে।
এরকম ট্রেডের সুযোগ আপনি প্রতিদিন পাবেন না। কিন্তু ১৫ মিনিটের চার্টে আপনি সপ্তাহে কয়েকবার এরকম ট্রেডের সুযোগ পেতে পারেন।
Bollinger bands দিয়ে বিভিন্ন ভাবে ট্রেড করা যায়। কিন্তু এই ২টি হল Bollinger Bands দিয়ে ট্রেড করার সবচেয়ে সহজ এবং সাধারণ ট্রেডিং স্ট্রাটেজী।

Parabolic SAR

কোন টাইমফ্রেমে ট্রেড করবো?

forex best time frame

এটা নির্ভর করে আপনি কি ধরনের ট্রেড করতে চান। আপনি যদি স্ক্যাল্পিং পছন্দ করেন তবে আপনার উচিত M15, M30 অথবা H1 এ ট্রেড করা। আপনি যদি সাধারন কিংবা একটু লং টার্ম ট্রেড করতে চান, তবে আপনার H1,  H4 অথবা  D1 এ ট্রেড করা উচিত। সুইং বা পজিশন ট্রেড করতে আগ্রহী হলে আপনার সপ্তাহ অথবা মাসের টাইমফ্রেমগুলোকে অ্যানালাইসিস করা উচিত।

 

একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি যত বড় টাইম ফ্রেমে যাবেন, আপনার এনালাইসিস ততো বেশি নিখুত হবে। বিশেষ করে ক্যান্ডালস্টিক এনালাইসিস। তাই অভীজ্ঞ ট্রেডাররা বড় টাইমফ্রেমকেই বেশি পছন্দ করেন।

মেটাট্রেডারে ইন্ডিকেটর ইন্সটল করার পদ্ধতি

পূর্বে যে ইন্ডিকেটর গুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো মেটাট্রেডারের ডিফল্ট ইন্ডিকেটর। এছাড়াও ইন্টারনেটে অনেক ইন্ডিকেটর পাওয়া যায়।

যেভাবে মেটাট্রেডারে অতিরিক্ত ইন্ডিকেটর যোগ করবেনঃ

১.প্রথমে যে Indicator  টি  install করতে চান সেটি  কপি করুন। ইন্ডিকেটর সাধারানত mq4, ex4, mq5, ex5 ফরম্যাটে হবে।
২.তারপর যেই ফোল্ডারে আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যারটি আছে সেই ফোল্ডারে যান।
নিচের ধাপসমূহ অনুসরন করুনঃ

 

প্রথমে  Menu থেকে  File এ click করুন।  তারপর Open Data Folder এ ক্লিক করুন
ind 1

এখন নিচের মতো উইন্ডো আসবে। MQL4  এ ক্লিক করুন

ind 2

 

এখন নিচের মতো উইন্ডো আসবে। Indicators এ ক্লিক করুন

ind 3

 

এখন নিচের মতো উইন্ডো আসবে। এখানে আপনার Indicator টি paste  করুন

ind 4

 

৪. তারপর সেখান থেকে বের হয়ে আসুন। এবার  আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যারটি close করে আবার চালু করুন।
৬.ইন্ডিকেটরটি আপনার চার্টে যোগ করার জন্য আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যার থেকে Insert > Indicators > Custom. তারপর আপনার ইন্ডিকেটরটি সিলেক্ট করুন।
MjG73

তারপরও কোন সমস্যা হলে Live support এ যোগাযোগ করুন… পোস্ট টি ভাল লাগলে লাইক দিতে ভুলবেন না…

ফরেক্স ট্রেড করার সুবিধাঃ

আগের দিনে শুধুমাত্র বিশাল ধনী অথবা ব্যাংকগুলো ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার সুযোগ পেত। কিন্তু বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন ফরেক্স ব্রোকারের আবির্ভাব ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারনে যে কেউই পৃথিবীর যে কোনো দেশ থেকে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করতে পারে।forex-market-hours
– মাত্র ১ ডলার দিয়ে ফরেক্স ট্রেড শুরু করা সম্ভভ। তাছারা প্রায় সব ব্রোকারই আপনাকে ফ্রী ডেমো ট্রেড করার সুবিধা দেবে, অর্থাৎ ভার্চুয়াল মানি দিয়ে। তাই প্রথমে আপনি নিখরচায় ডেমো ট্রেড করে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারেন এবং ডেমো ট্রেড করে সাফল্য ফেলে ডিপোজিট করে রিয়েল ট্রেড শুরু করতে পারেন।
– ফরেক্স মার্কেট পরিধি অনেক বড় এবং এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করা সম্ভভ না। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্টক মার্কেট হচ্ছে নিউইয়র্ক স্টক মার্কেট এবং ফরেক্স মার্কেটের আকার তার থেকেও ২৫ গুন বেশি। মনে রাখবেন,ডলার বা ইউরো এর মূল্য কোন দেশের মূল্য কোনো দেশের সরকার নির্ধারণ করে দেয় না। বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও আর্থিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মূল্য নিজে নিজেই পরিবর্তিত হয়। আপনি যে দামে ডলার বা ইউরো কিনবেন, সেই একই দামে পৃথিবীর সব দেশে ডলার বা ইউরো ক্রয়-বিক্রয় হবে।
– ফরেক্স মার্কেট এ ট্রেড করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের লিভারেজ বা লোন সুবিধা পাওয়া যায়, আর তাই খুব অল্প মার্কেট মুভমেন্ট থেকেই আপনি ভাল প্রফিট করতে পারবেন।
– স্ক্যালপিং ফরেক্স এ খুব জনপ্রিয় একটি শব্দ। এর মানে হচ্ছে খুব অল্প সময়ের জন্য খোলা ট্রেড। ফরেক্স মার্কেটের খুব অল্প পরিবর্তনেও ভাল লাভ করা সম্ভভ। অনেকেই ১০ বা ১৫ সেকেন্ডের জন্য একটি ট্রেড ওপেন করে এবং প্রফিট পেলে তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যায়।
– ফরেক্স মার্কেট সোম থেকে শুক্র, সপ্তাহের ৫ দিনই দিবা-রাত্রি ২৪ ঘণ্টার জন্য খোলা থাকে। আর তাই, আপনি ব্যাবসায়ি হোন বা চাকুরিজীবী, ফরেক্স মার্কেটে আপনি আপনার সুবিধামত ট্রেড করতে পারবেন।
– ফরেক্স ট্রেডিং আপনি বাসায় বসেই করতে পারবেন, বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আর তাই পরিবারকে প্রচুর পরিমানে সময় দিতে পারবেন।
– ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার জন্য আপনাকে সব কিছু অনলাইনে করতে হবে আর অ্যাকাউন্ট ওপেনিং থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট বা উইথড্র করাও অনেক সহজ।
– আপনি যদি ভাল ট্রেড করতে পারেন, তাহলে অনেকেই আপনার সাথে ডিপোজিট করতে উৎসাহিত হবে এবং সেক্ষেত্রে আপনি তাদের ট্রেড পরিচালনা করতে পারেন এবং তাদের লাভের একটি অংশ আপনি পাবেন।
– সর্বোপরি একজন সফল ও দক্ষ ফরেক্স ট্রেডার এই মার্কেট থেকে প্রচুর পরিমানে আয় করতে পারবেন।
উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয়, একজন দক্ষ ও সফল ট্রেডার হতে হলে আপনাকে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, নিজেকে এই মার্কেটের যোগ্য করে তুলতে হবে। ফরেক্স মার্কেট থেকে যে কেউই কোন কিছু না জেনেও হয়ত প্রথম দিকে অনেক আয় করতে পারেন। মনে রাখবেন, ফরেক্স মার্কেট স্টক মার্কেটের মতই চ্যালেঞ্জিং। না জেনে হয়ত প্রাথমিকভাবে সফল হওয়া যাবে যেটা স্টক মার্কেটও অনেকেও অনেকে হয়। তবে দীর্ঘসময়ের জন্য টিকে থাকতে হলে, এক্সপার্ট হওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই।
আর একটি কথা, ফরেক্স মার্কেটে মন্দা বলে কিছু নেই। কারন স্টক মার্কেটে আপনি শুধু buy করতে পারেন, ফরেক্স মার্কেটে buy বা sell উভয়ই করতে পারবেন।
মনে রাখবেন,
When stock market is going down and down, in forex, one currency is always up!

LiteForex

LiteForex – লাইটফরেক্স ব্রোকারঃ

  • ব্রোকারঃ LiteForex (লাইট-ফরেক্স)
  • দেশঃ সাইপ্রাস
  • পেমেন্ট মেথডঃ লিবার্টি-রিজার্ভ, অ্যালার্ট-পে, মানিবুকার্স, ওকে-পে,ওয়েব-মানি, পারফেক্ট মানি, ক্রেডিট কার্ড, লাইটফরেক্স ডেবিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার
  • সর্বনিম্ন ডিপোজিটঃ $1 (১ ডলার)
  • সর্বনিম্ন ট্রেড সাইজঃ ০.০০১ লট
  • লিভারেজঃ ১:৫০ থেকে ১:৫০০
  • স্প্রেডঃ EURUSD – ৩ পিপস
  • রেগুলেশনঃ Regulated by SIBA

সুবিধাঃ

  • মেটাট্রেডার ৪ ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • মেটাট্রেডার ৫ ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ডেমো অ্যাকাউন্ট
  • বিভিন্ন ধরনের ডিপোজিট মাধ্যম
  • ইসলামিক অ্যাকাউন্ট (ইন্টারেস্ট বিহীন)
  • বিভিন্ন ধরনের বোনাস

অসুবিধাঃ

  • আমেরিকান সিটিজেনদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি নেই

ওয়েবসাইট

 

Open a Lite Forex real account

 

Get Forex Bonus Daily

এটি একটি বিশেষ একাউন্ট। এই একা্ন্টের সুবিধা হল প্রতিদিন আপনার ট্রেডের ভিত্ততে আপনি বোনাস পাবেন। যেমন আপনি আজ ১ ডলার করে ১০ টি ট্রেড করেছেন তাহলে আপনি দিন শেষে ১৫ ডলার বোনাস পা্বেন। আপনি লাভে থাকলেও পাবেন, লসে থাকলেও পাবেন।

ধরা যাক, equity ছিল 200 dollar. সারাদিন trade করে loss খেয়ে আপনার equity হয়ে গেল $195 কিন্তু দিন শেষে bonus পেলেন $15 তাহলে আপনার equity হয়ে গেল $210. সতিঃ এটা একটা অসাধারন ব্যপার। একাউন্ট করার জন্য নিচের Form টি পুরন করুন।

ফরেক্স কি?

ফরেক্স শব্দটি হলো ফরেইন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ সংক্ষিপ্ত রুপ।  এটার বাংলা অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন হলেও অনলাইন ফরেক্স ট্রেডাররা মানি এক্সচেঞ্জ এর মতো কাচা ডলার লেনদেন করেনা। নিজের কম্পিটার বা মোবাইলে বসে ভার্চুয়াল মানি বাই সেল করে। এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মার্কেট। এখানে প্রতিদিন ৪ ট্রিলিয়ন (১০০০ বিলিয়ন এ ১ ট্রিলিয়ন) ডলারের অধিক লেনদেন হয়। পৃথিবীর সবগুলি শেয়ার মার্কেট মিলেও প্রতিদিন এত লেনদেন হয়না। নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের একদিনের গড় লেনদেন ৩০ বিলিয়ন ডলার। যেহেতু মার্কেটটি এত বড়, কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এমনকি রাষ্ট্রও এককভাবে সহজে একে নিয়ন্ত্রিত করতে পারেনা।forex

আমরা যা শিখতে যাচ্ছি তাকে ফরেক্স বলা হলেও এখানে শুধু কারেন্সি ট্রেড হয় এমন না।  বিভিন্ন মেটাল, ওয়েল বা বিভিন্ন কোম্পানীর শেয়ারও বেচাকেনা করা হয়। যেমন আপনি ইচ্ছে করলে গুগল বা ফেসবুকের শেয়ার কিনতে পারবেন।

ফরেক্স করতে কি কি দরকার?